Thursday, May 26, 2016

ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজের নাম সৌরভের নামে

প্রবুদ্ধ গুছাইত,কলকাতাঃ
আমাকে ট্যুইটারে পান @Probudhya13
ভারতের সফলতম টেস্ট অধিনায়কের নামে ভারত বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজের নাম রাখছে বিসিসিআই।আজ বিসিসিআইয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়,ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট ট্রফির নাম রাখা হবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে।
২০০১ সালে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে বাংলাদেশ।
সেই ম্যাচে ভারতের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের।সেই টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নাঈমুর দুর্জয়।
দুই অধিনায়কেরই সেদিন ছিলো অধিনায়কত্বে অভিষেক।সেই ম্যাচের পর জল অনেক গড়িয়েছে।বিদেশের বুকে ভারতকে জিততে শিখিয়েছেন সৌরভ।তার হাত ধরে দেশে বিদেশে অনেক স্মরনীয় জয় হাসিল চরেছে ব্লু ব্রিগেড।তার অধিনায়কত্বের সেই ব্যাটন এখন উঁচু কাঁধে দক্ষতার সঙ্গে বহন করছেন ধোনি-কোহলি।
অন্যদিকে নাঈমুরের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাবালক।কখনোও তামিম,কখনোও হাবিবুল বাশার আবার কখনও সাকিবের হাত ঘুরে আজকের বাংলাদেশ মাশরাফি মুশফিকুরের গর্বিত কাঁধে।

আগে যেমন ভারত বাংলাদেশ মানেই ভারতের জয় নিশ্চিত,এখন তা বলা যায়না।বরং ধীরে ধীরে এশিয় ক্রিকেটে ভারতের মূল প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

আর সেই ক্রিকেট সম্পর্ককেই স্মরনীয় করে রাখতে দুদেশের দুই প্রাক্তন অধিনায়কের নামে ভারত বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ উৎসর্গ করছে বিসিসিআই-বিসিবি।
যে দুজন প্রথমবার একসাথে টস্ করতে নেমেছিলেন,যাদের হাত দিয়ে শুরু হয়েছিল ভারত বাংলাদেশ যুদ্ধ,সেই দুই কাপ্তানের নামেই এবার ভারত বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ পরিচিত হবে দুর্জয়-গাঙ্গুলি সিরিজ নামে।

Saturday, May 14, 2016

সৌরভ-ধোনি বিতর্ক এবং মিডিয়া

একটি বেশ বড়ো পোস্ট,হাতে সময় থাকলে পড়ুন,শেয়ার করুনঃ

এই মূহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে দাদা-ধোনি সংক্রান্ত একটি বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে,এবং দায়িত্ব সহকারে বাংলার একটি নতুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল একটি ভিত্তিহীন খবর ছড়িয়ে আগুনে ঘৃতাহুতি করেছে।একটা জিনিস সবাই মানবেন,এই বাংলায় সর্বদা সেরা দশটা টপিকে তিনটি টপিক থাকেই....
1.মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল
2.পলিটিক্স
3.সৌরভ-ধোনি ফ্যানদের ঝামেলা....

এই তৃতীয় বিতর্কটি বর্তমানে খুবই সমস্যার উদ্রেক করছে।
দাদা তিন-চারদিন আগে একটি যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত প্রশ্ন তোলেন,তিনি বলেন 2019 বিশ্বকাপ পর্যন্তই কী ধোনীকে ক্যাপ্টেন রাখা হবে?তাহলে কী তার অধিনায়কত্বে ধার আগের মতোই থাকবে?যদি ধোনিকে না রাখা হয়,তবে বিরাট/রোহিতদের এখন থেকেই সুযোগ দেওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন,উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান ধোনি'র ভারতকে এখনও অনেক কিছুই দেওয়ার রয়েছে.....

বিতর্ক শুরু এখানেই।
এই মন্তব্যের পর দাদার মুন্ডপাত শুরু করে কিছু প্রবল ধোনি ভক্ত।কিছু দাদা ফ্যানও যুক্তির তোয়াক্কা না করে তাদের আক্রমন করে।
সেইসময়ই গতকাল একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঘোলাজলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে।
তারা দাবী করে,মহেন্দ্র সিং ধোনি নাকী এই কমেন্টের পর দাদাকে আক্রমন করে একটি ট্যুইট করেছেন,দাদা ফোন করে তার জবাব দিয়েছেন,ধোনিও সঙ্গে সঙ্গে ট্যুইটটি মুছে ফেলেছেন।

যারা ট্যুইটার 24×7 ফলো করে আমার মতো (@probudhya13) তারা এধরনের কোনো ট্যুইটকিন্তু দেখতে পায়নি।
তাই একটি নতুন অনলাইন পোর্টাল কিকরে এতটা সাহস পেলো,সেটাও একটা প্রশ্ন।
যারা ভারতের ক্রিকেট নিয়মিত ফলো করেন,তারা জানেন দাদা-ধোনির মধ্যে কেমন সম্পর্ক!!
ধোনি যখনই ব্যার্থ হয়েছেন,সৌরভ তার পাশে দাঁড়িয়েছেন...
এরপরেও দুজনের সমর্থকেরা নিজেদের মধ্যে লড়ছেন...একটা ভিত্তিহীন গুজবে বিশ্বাস করছেন.....যা কোনোভাবেই বাঙ্গালীর মতো বুদ্ধিমান জাতির কাছে কাম্য নয়....

যদি প্রকৃত ভারতীয় হন,তবে যেমন দাদাকে সাপোর্ট করেন,তেমনই ধোনিকেও সাপোর্টটা করতে শিখুন।
দায়িত্বশীল হলে,পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Sunday, April 3, 2016

ভারত সফরে আসছে ইংল্যান্ড

এই শীতে ভারত সফরে আসতে চলেছে ইংল্যান্ড।সফরে ভারতের বিরুদ্ধে 5টি টেস্ট,5টি ওডিআই,1টি টি20 খেলবে ইংলিশরা।
সিরিজের মেয়াদঃনভেম্বর 2016-ফেব্রুয়ারি 2017

Thursday, March 31, 2016

যুবির জায়গায় হয়তো মনীশ;অঘটন ঘটাতে চান স্যামিরা

প্রবুদ্ধ গুছাইত,কলকাতা;31/03/2016:প্রথম ম্যাচে বড়ো হার,অঘটন দিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল ভারত।কিন্তু এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।প্রথম ম্যাচের হারকে ঝেড়ে ফেলে পরপর পাকিস্তান,বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনীরা।দুর্দান্ত খেলছেন বিরাট কোহলি।অন্যদিকে বোর্ডের সঙ্গে যতোই দ্বন্দ থাক,উইন্ডিজ দ্বীপপুঞ্জের মান রক্ষার দায়িত্ব বেশ গর্বের সাথেই করে চলেছেন ড্যারেন সামি ও তার দলবল।কিন্তু তাল কেটেছে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হারে।

কিন্তু একটা সেমিফাইনাল মানেই ফাইনালে ওঠার যুদ্ধ,যেখানে পুরোনো ফলাফল কিছু ব্যাপার হয় না,আর তাই আজ ওয়াংখেড়ে'তে টুর্নামেন্টের ফেভারিটদের বিরুদ্ধে সম্মুখসমরে নামছে এই ফর্ম্যাটের সবচেয়ে বিপজ্জনক দল।

এর মধ্যেই দুই শিবিরেই থাবা বসিয়েছে চোট।চোট পাওয়া ফর্মে থাকা যুবরাজের জায়গায় দলে এসেছেন মনীশ পান্ডে,অন্যদিকে উইন্ডিজ দের এই মূহুর্তে সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান ফ্লেচার'ও ছিটকে গেছেন।
ভারতীয় দলে যুবরাজ শুধু একজন ব্যাটসম্যানই নন,একজন অলরাউন্ডার হিসেবেও নিজেকে প্রমান করেছেন।তাই তার স্থানে স্কোয়াডে ঢোকার একটা সম্ভবনা আছে পবন নেগী'র।
তবে ওয়াংখেড়ে'র ব্যাটিং স্বর্গ সম পিচে হয়তো স্কোয়াডে আসবেন মনীশ পান্ডে'ই।

আজকের সম্ভাব্য দলঃরোহিত শর্মা,শিখর ধাওয়ান,বিরাট কোহলি,সুরেশ রায়ণা,মনীশ পান্ডে,হার্দিক পান্ডিয়া,মহেন্দ্র সিং ধোনী,রবীন্দ্র জাদেজা,রবিচন্দ্রন অশ্বিন,আশিষ নেহেরা,জসপ্রীত বুমরাহ।

Monday, March 21, 2016

ভারত বনাম বাংলাদেশ:মওকা,মওকা

এ এক নতুন মওকা বিজ্ঞাপন....
বাংলাদেশী অধিনায়ক এসেছেন স্টুডিওতে,বিশ্বকাপ নিয়ে ছবি তুলবেন বলে।এরপর ভারতীয় ফটোগ্রাফারের রিপ্লাই দেখুন ভিডিওতে !!!!

Watch "Mauka Mauka | India vs Bangladesh | T20 World Cup 2016 | India wala Photoshop" on YouTube

Monday, March 7, 2016

ডট বলে রেকর্ড ভারতের

প্রবুদ্ধ গুছাইত
সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিপক্ষে ভারতীয় দলের বোলিং মনে পড়ছে?
ইউএই খেলেছিল পুরো কুড়ি ওভার কিন্তু করেছিল মাত্র 81।
120টা বৈধ ডেলিভারির মধ্যে সেদিন 77টাই ডট বল করেছিলেন ভারতীয় বোলাররা।যা কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের পক্ষে একটি রেকর্ড।এর আগে অনেক দলই এর কাছাকাছি পৌচেছে।এর আগে একটি শ্রীলঙ্কা বনাম নেদারল্যান্ড টি20 ম্যাচে নেদারল্যান্ড মাত্র 39 রানে অলআউট হয়ে যায়।সেই ম্যাচে তারা ডট বল খেলে 67টি।যা এতদিন অক্ষত ছিল।
তবে এখন এই রেকর্ড সম্পূর্ন ভারতের দখলে।

আরও আশ্চর্যের এই 77টি ডট বলের মধ্যে 20টিই করেছেন ভুবনেশ্বর কুমার,যা শতাংশের নিরিখে একটি রেকর্ড।

Sunday, March 6, 2016

মাহির ব্যাটেই এশিয়া জয়

কলকাতা,প্রবুদ্ধ গুছাইত
মঞ্চটা তৈরীই ছিল।অপেক্ষা ছিল শুধু মাঠে নেমে পারফর্ম করার।সেই কাজটাই সুষ্ঠু ভাবে সেরে প্রথম টি20 এশিয়া কাপ ঘরে তুলল ভারত।
গতকাল বাংলাদেশের মিরপুরে প্রথমবারের জন্য কোনো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও বাংলাদেশ।শেষপর্যন্ত হট ফেভারিট ভারতই অপরাজিত ভাবে এশিয়া কাপের শিরোপা ঘরে তুলল।
গতকাল প্রবল বৃষ্টির কারনে নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুক্ষন পর খেলৃ শুরু হয়।20 ওভারের ম্যাচ নেমে আসে 15 ওভারে।
টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।সম্ভবত পিচের আর্দ্রতা কে কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন তিনি।তার আস্থার মর্যাদা দিয়ে পাঁচ ওভারের মধ্যেই তিরিশ রানে দুই উইকেট তুলে নেন নেহেরা ও বুমরাহ।তবে এরপরের চার ওভারে সাকিব ও সাব্বির জুটি আরো 37 রান জোড়ার পর সাকিবকে ফিরত পাঠান অশ্বিন।এরপর আরো দুটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেয় ভারত।তবে মাহমদ্দুল্লাহ রিয়াদের ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে শেষ চার ওভারে 49 রান জোড়ে বাংলাদেশ।ভারতকে 121 রানের লক্ষমাত্রা দেয় বাংলাদেশ।
শুরুতেই রোহিত শর্মার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে জাঁকিয়ে বসার ইঙ্গিত দিচ্ছিল বাংলাদেশ।সেখান থেকে অফফর্মে থাকা ধাওয়ান এবং কোহলির 94 রানের পার্টনারশিপ ম্যাচ ভারতের কব্জায় এনে দেয়।ধাওয়ান যখন আউট হলেন তখন 14 বলে ভারতের দরকার আর 22।সেখান থেকে শুরু হল "ধোনি শো"।
মাত্র 6 বল খেলে 20 রান করে ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়লেন মাহী।সঙ্গে 28 বলে 41 করা কোহলি।
আল আমিন হোসেনের ওভারে দুটি ছয় মেরে ওপার বাংলার বিরুদ্ধে "কাটামুন্ডু" ছবির বদলা নিলেন মাহী।সাথে সাথেই ভারতকে এনে দিলেন মহার্ঘ্য একটি জয়,যা আসন্ন বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের ইঞ্জিনে নতুন রসদেরই কাজ করবে।